দেশের স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেল ফেনীবাসী। মঙ্গলবার বিকেলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ফেনীর কৃতি সন্তান আবদুল আউয়াল মিন্টু। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেনীজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। এর আগে ফেনী-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর গ্রামের এই প্রখ্যাত শিল্পপতি।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ ২৫ জনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরবর্তীতে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
বিজ্ঞাপন
বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসন থেকে এবারই প্রথম কেউ পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রী ও একবার বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়াও ফেনীর অন্যান্য কৃতি সন্তানদের মধ্যে জাফর ইমাম বীরবিক্রম ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সেচ, বন, পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন কাজী ফজলুর রহমান। সর্বশেষ ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন চৌধুরী সাজ্জাদুল করিম (সিএস করিম)। তবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে আবদুল আউয়াল মিন্টুর এই অর্জন ফেনীবাসীর জন্য এক নতুন ইতিহাস।
প্রতিনিধি/একেবি

