শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

চাঁদপুরে সিল মারা ২০৩ ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে মামলা

জেলা প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

শেয়ার করুন:

চাঁদপুরে সিল মারা ২০৩ ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে মামলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট চলাকালীন চাঁদপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ গুনরাজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গোলযোগ, ব্যালট ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও সিলমোহরকৃত ২০৩টি ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহম্মেদ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে নির্বাচনি আসন ২৬২, চাঁদপুর-৩ এর আওতাধীন দক্ষিণ গুনরাজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে গোলযোগের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেখতে পান, কেন্দ্রে দায়িত্বরত আনসার ও পুলিশ সদস্যরা কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে ধাওয়া করছেন এবং কেন্দ্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে প্রায় ৪০-৫০ জন ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়।

vote

পরবর্তীতে কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে তল্লাশি চালিয়ে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা জোরপূর্বক ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং কেন্দ্রের সামনে রাস্তায় ২১টি ব্যালট পেপার ফেলে রেখে যায়। এছাড়া কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে থেকে সর্বমোট ২০৩টি সিলমোহরকৃত ব্যালট পেপার উদ্ধার করা হয়। যা কেন্দ্র থেকে সরিয়ে নেওয়া বা বিনষ্ট করার উদ্দেশে অপসারণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রমাণিত হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশক্রমে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা ব্যালট পেপার জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয় এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন

রংপুরে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও

এ ঘটনায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ধারা ৭৪(৬), ৮১(১)(এ) (বি) ও ৭৮(১এ)(সি) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের নির্দেশে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়ামিন হোসাইন চাঁদপুর সদর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন।

চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন বলেন, এজাহারে ভিত্তিতে সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং মামলাটির তদন্ত চলছে।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, ঘটনার পর আমি নিজেও ওই কেন্দ্রে গিয়েছি। মামলাটি তদন্ত করার জন্য থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফেরদৌসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর