নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতিয়া পৌরসভার শহর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জালভোট দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ওই কেন্দ্রের ১ নং ওয়ার্ডের এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যালট পেপার ভোটারের হাতে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন। ভিডিওতে ‘হ্যা’ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীকে সিল মারার বিষয়টি শোনা ও বোঝা যাচ্ছে বলে দাবি করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আব্দুল হালিম নামের একজনের ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করা ভিডিওটি মনোযোগ দিয়ে শোনা ও দেখা হলে আরও একটি অভিযোগ উঠে আসে—পুরুষ ভোটারের নামে নারী ভোটার এসে ভোট প্রদান করছেন, যা জালভোটের আশঙ্কা আরও জোরালো করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নাম রিজিয়া সুলতানা। তিনি বুড়িরচর ছৈয়দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং হাতিয়া পৌরসভার শহর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১ নং ওয়ার্ডে দায়িত্বে ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বাছেদ সবুজের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নির্বাচন আইন অনুযায়ী, ভোটারের হাতে ব্যালট না দিয়ে কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা নিজে সিল মারলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের দাবি- ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করে দ্রুত তদন্ত করা হোক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে যাবে।
এদিকে ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচন চলাকালীন উত্তেজনা ও উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রতিনিধি/এসএস

