‘রাজাকার’ বলে শেখ হাসিনার যেমন পতন হয়েছে, তেমনি ‘গুপ্ত’ বলার কারণে আরেক জনেরও পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বেতাগী উপজেলার পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বরগুনা-২ আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের মা-বোনদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। আমরা এখন একটি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সংকটময় সময়ে নারীরা সব সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি দুই শতাধিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। আমরা কোনো খুনি, চাঁদাবাজ, নারী নির্যাতনকারী কিংবা টেন্ডারবাজকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চাই না।

তিনি উপস্থিত জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ডা. সুলতান আহমদকে বিজয়ী করতে হবে।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল মহানগরীর আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মোহাম্মাদ বাবর। তিনি বলেন, আমাদেরকে রক্তচক্ষু দেখাবেন না। জামায়াত রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। জনগণকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন

এ সময় জনসভায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। জনসভায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জনসভায় অংশ নিতে আসা নেতাকর্মীদের পথে পথে বিএনপির লোকজন বাধা সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য নেই। আমরা আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জনসভায় প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস

