সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজুর হাতে দলীয় প্রতীক রিকশা তুলে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মাওলানা রাজু এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াত আমির। এ সময় তিনি সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে ১১ দলের প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে তাদের পরিচিত করান।
বিজ্ঞাপন
সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবার জামায়াতে ইসলামী তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর বাকি তিনটি আসন জোটের শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে। জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোর একটি সিলেট-৩। সিলেটের যেসব আসনে ১১ দলীয় জোট ভালো অবস্থানে রয়েছে এর মধ্যে একটি সিলেট-৩।
এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন মাওলানা লোকমান আহমদ। তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান। তবে জোটের সমীকরণে শেষ মুহূর্তে এই আসনে প্রার্থী করা হয় তরুণ আলেম মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে। তিনি মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী।
মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর মাওলানা রাজু ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি সকাল থেকে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন এবং জনসাধারণের সঙ্গে মিশছেন। এতে পাল্টে গেছে ভোটের চিত্র। বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে এই আসনের নির্বাচন।
মাওলানা রাজু সিলেটের বিখ্যাত জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের প্রিন্সিপাল এবং কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সহসভাপতি। তার বাবা ছিলেন বিখ্যাত আলেম আল্লাম নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী। পারিবারিক ঐতিহ্য এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন রিকশা প্রতীকের এই প্রার্থী। তার বিপরীতে এই আসনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক। নবাগত রাজুর ব্যাপক তৎপরতায় অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন বিএনপির প্রার্থী।
জেবি

