চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে খৈয়াছরা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে নির্বাচনি সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় বড়তাকিয়া বাজারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান।
বিজ্ঞাপন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা বেকারদের বেকার ভাতা দেব না। আমরা বেকারদেরকে বিভিন্ন ট্রেনিংও প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। আমরা দুর্নীতিকে না বলব। আপনারা যদি ডা. শফিকুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় পৌঁছে দিতে পারেন, বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি উচ্ছেদ করা হবে। কারণ বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। আমরা ফ্যাসিবাদকে না বলব। ফ্যাসিবাদকে আমরা লালকার্ড দেখাব। ভারতের দাদাগিরি বাংলাদেশের ওপর আর আমরা হতে দেব না। আজকে তরুণরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বাংলাদেশের মাটিতে আমরা আর আধিপত্যবাদের জায়গা দেব না। বাংলাদেশে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব ইনশাল্লাহ। বেকারত্বের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামের জিরো টলারেন্স থাকবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা কি ইন্টার পাশ তারেক রহমান যোগ্য, না বিসিএস ক্যাডার বুড়ো আমির ডা. শফিকুর রহমান যোগ্যতা ১২ তারিখ নির্বাচনে প্রমাণ হবে।

সমাবেশে খৈয়াছড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন, মিরসরাই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান।
এর আগে সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট ট্রাফিক মোড় চত্বর এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল হুদা হামিদীর সভাপতিত্বে জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মাঈন উদ্দিন ও বায়তুল মাল সম্পাদক আবদুল গফুরের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন- চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক ফজলুল করিম, বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মো. নুরের নবী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ বিন আবু বকর, মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির নুরুল কবির, নায়েবে আমির মাওলানা মুখতার আহমেদ, এনসিপি, মিরসরাই উপজেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিন।
এসময় আরো বক্তব্য দেন বিভিন্ন ইউনিয়ন আমির ও শূরা সদস্যরা। সমাবেশ শেষে গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে রামগড় সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
প্রতিনিধি/এসএস

