লক্ষ্মীপুরে ভোটের ৬ সিলসহ আটক সোহেল রানাকে জামায়াতের কর্মী দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি। এতে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে সোহেল রানা সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে নিশ্চিত করেন জামায়াতের শীর্ষ নেতারা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন জামায়াত।
বিজ্ঞাপন
সোহেলকে জামায়াত কর্মী আখ্যা দিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী ও জেলা কমিটির সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ। তবে রুহুল আমিন ও হাফিজ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
রেজাউল করিম বলেন, সিলসহ আটকের ঘটনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু যে কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অতীতের মতোই আরেকটি দলের মুদ্রা দোষে পরিণত হয়েছে। কোনো বিষয় তদন্ত ছাড়া কোনো দলকে দোষারোপ করা এটি আমি মনে করি, আইনের ব্যত্যয় ঘটে এবং অন্য দলের মর্যাদাকে হানি করে। এতে প্রকৃত দোষীরা আড়াল হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, সিলসহ আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নয়। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে প্রশাসন তদন্ত করে বের করবে। এরকম একটি ঘৃণিত ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবীর মুরাদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জহিরুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান ও চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, রাত সাড়ে ৭টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে সিলসহ আটক সোহেল জামায়াত কর্মী বলে দাবি করেছেন বিএনপি। এর আগে বিকেলে জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে ৬টি ভোটের সিল, একটি মোবাইল ও একটি কম্পিউটারসহ সোহেলকে আটক করে পুলিশ।
প্রতিনিধি/এসএস

