কক্সবাজার–৪ উখিয়া -টেকনাফ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উখিয়া উপজেলার থাইংখালী এলাকায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি পথসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় যোগদানকৃত নেতাকর্মীদের ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, যোগদানকারী নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতা ও পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

পথসভা শেষে জামায়াত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির নুর আহমদ আনোয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে থাইংখালী স্টেশনে একটি মিছিল করেন গফুর উদ্দিন চৌধুরী ও তাঁর অনুসারীরা।
যোগদানকারী পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুল হক ভুলু বলেন, আমি কাউন্সিলে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলাম। দলের জন্য অনেক কিছু করেছি। কিন্তু সততার কোনো মূল্য নেই। চাঁদাবাজির তকমা লাগা দলে আর থাকতে চাই না।
বিজ্ঞাপন
মিছিল পরবর্তী বক্তব্যে পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি নিজে বিএনপির একজন কর্মী। কিন্তু চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আমাকে মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। ২৩ দিন কারাবরণ করতে হয়েছে। এই অন্যায়-জুলুমের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে, ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় সমর্থন জানালাম। আগামী ১২ তারিখ আপনারা সবাই দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন।

এ সময় জামায়াত প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, গফুর উদ্দিন চৌধুরীসহ পালংখালী ও থাইংখালীর প্রায় ৫ শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর আজকের এই অবস্থান চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। উখিয়া-টেকনাফে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে দাঁড়িপাল্লার বিজয় ইনশাআল্লাহ সুনিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার–৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জেলা সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
প্রতিনিধি/এসএস

