শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

কক্সবাজারে অভিযানে গ্রেফতার ৮০, বিপুল অস্ত্র, মাদক ও জাল টাকা উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

শেয়ার করুন:

কক্সবাজারে অভিযানে গ্রেফতার ৮০, বিপুল অস্ত্র, মাদক ও জাল টাকা উদ্ধার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার অঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত টহল ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত এক মাসে এসব অভিযানে ৮০ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


বিজ্ঞাপন


সংবাদ সম্মেলনে ১০ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর বলেন, সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এসব যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক অপতৎপরতা দমন, গুজব ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, গত ১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৬১টি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, মাদকাসক্ত, ডাকাত দলের সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারি ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ মোট ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে উদ্ধার করা হয়— ১৯টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০ রাউন্ড গুলি, ৯৩টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ১টি ড্রোন ও ১টি ওয়াকি-টকি, ১৩ লাখ টাকার জাল নোটসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক সরঞ্জাম।

আরও পড়ুন

‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না’

এছাড়া আরও উদ্ধার করা হয়- ৬ হাজার ২০১ পিস ইয়াবা, ৫৪১ লিটার দেশীয় মদ, ২৩ লিটার বিয়ার, ৬ কেজি গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ।

লে. কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর আরও বলেন, যৌথ অভিযানের ফলে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। এতে আতঙ্কিত স্থানীয় জনগণের মাঝে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরে এসেছে।

তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নিয়মিত টহল ও যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনী, অসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রামু সেক্টরের মেজর নাজমুস সাকিব, র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. ফারুক, কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পিয়ারসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর