রগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ বলেছেন, কাজিরাবাদ ইউনিয়ন আমার হৃদয়ের খুব কাছের এবং নিজের বাড়ির এলাকা। আমার বাড়িতে ভোট চাওয়ার কিছু নেই। এসেছি আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা চাইতে।
তিনি বলেছেন, এখানকার মানুষের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা সবসময় ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। অতীতের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত বা পারিবারিকভাবে কোনো অনিয়মে জড়িত না থেকে সর্বদা জনগণের পাশে থেকেছি এবং সব সময় থাকার চেষ্টা করেছি।
বিজ্ঞাপন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ সামনে রেখে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দাঁড়িপাল্লার জনসভায় বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয় সভাস্থল।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মন্নানের হাট এলাকায় আয়োজিত এ জনসভায় সাবেক উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা জজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মিলনমেলার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ডা. সুলতান আহমদ বলেন, আমি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করিনি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও করব না। নির্বাচিত হলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করব।
বিজ্ঞাপন
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। দেশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি কাজিরাবাদ বাসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমার এলাকার সবার ঐক্যবদ্ধ দোয়া ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। এবং এই দোয়া ও ভালোবাসা থাকলে কোনো অপশক্তি আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা মহিব্বুল্লাহ্ হারুন, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো. আলতাফ হোসাইন, বামনা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মানজুরুর রব মুর্তজা আহসান মামুন, জেলা সেক্রেটারি জেনারেল মো. আল মামুনসহ প্রমুখ।
সভাস্থলজুড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণসমর্থনের দৃশ্য স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সেবামূলক রাজনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই আগামী দিনে একটি সৎ, দক্ষ ও মানবিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা সম্ভব।

জনসভায় জেলা ও উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/এসএস

