শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

সিলেট-৬: বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি প্রচারে সরগরম মাঠ

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট 
প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

শেয়ার করুন:

সিলেট-৬: বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি প্রচারে সরগরম মাঠ

গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৬ আসনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক উত্তাপ ততই বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হতে যাচ্ছে বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সেলিম উদ্দিনের মধ্যে।

বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনের মাধ্যমে। গত ২১ জানুয়ারি সিলেটে তারেক রহমানের সফরের সময় তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্যান্য নেতাদের একমঞ্চে এনে ঐক্যের বার্তা দেন। ফলে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন।


বিজ্ঞাপন


অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এই আসনটিকে তাদের সম্মানের লড়াই হিসেবে দেখছে। শুরুতে সিলেটের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানের নাম আসলেও শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তন করে ঢাকা উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিনকে এখানে পাঠানো হয়। জামায়াত নেতারা তাদের সর্বশক্তি দিয়ে সেলিম উদ্দিনের পক্ষে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।

আওয়ামী লীগ বর্তমানে মাঠে না থাকায় দলটির বিশাল ভোট ব্যাংক নিজেদের বাক্সে নিতে দুই পক্ষই বেশ কৌশলী। বিশেষ করে নিরপেক্ষ ও দোদুল্যমান ভোটারদের আকর্ষণ করাই এখন দুই প্রার্থীর প্রধান লক্ষ্য।

সম্প্রতি এই নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে দুই প্রার্থীর বাগযুদ্ধ। খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে সাথে নিয়ে এক সভায় সেলিম উদ্দিন মন্তব্য করেন যে, তিনি নির্বাচিত হলে স্থানীয় প্রশাসন তাকে না জানিয়ে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না।

তার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি প্রার্থী এমরান চৌধুরী পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে ভিন্ন পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান।


বিজ্ঞাপন


নির্বাচনী মাঠের বর্তমান চিত্র বলছে, লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। একদিকে এমরান চৌধুরীর ‘লাকিম্যান’ ইমেজ ও দলীয় ঐক্য, অন্যদিকে সেলিম উদ্দিনের সাংগঠনিক শক্তি ও কৌশলী প্রচার। শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কার ওপর আস্থা রাখেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

/প্রতিনিধি/

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর