ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করছে ১১ দলীয় জোট।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
বিজ্ঞাপন
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমিরের পক্ষে বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হলেও প্রশাসন সেগুলো অপসারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে তারা দাবি করেন। দ্রুত বিএনপি প্রার্থীর অবৈধ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।
এর আগে গতকাল বুধবার বিকেল থেকেও একই দাবিতে তারা কর্মসূচি পালন করেছিলেন। দাবি পূরণ না হলে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন জোটের নেতারা।
এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একই সময়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলায় বিক্ষোভে আসা প্রার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম ও জেলা আমির ইকবাল হোসাইন জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামানের কক্ষে গিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি

