আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ২৮-বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির বলেছেন, একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে বিজিবি নির্বাচনকালীন পরিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, ড্রোনের মাধ্যমে নির্বাচনি এলাকায় নজরদারির ব্যবস্থা চালু করা হবে। সিলেট অধীনস্থ ৩টি ব্যাটালিয়ন সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ১০টি সংসদীয় আসনে ২৩টি উপজেলায় ৫৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী ৬টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আসন্ন নির্বাচনে বিজিবির দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির।
২৮-বিজিবি অধিনায়ক বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জ জেলার ৯০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নির্বাচনি এলাকায় সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থা চালু করা হবে এবং এ কাজে দক্ষ জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রয়োজনে পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবিতে নতুনভাবে সংযোজিত নন-লেথাল বা অ-প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবির কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) প্রস্তুত থাকবে।
তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধির ও জন্য বিভিন্ন প্রেরণামূলক ও উদ্বুদ্ধকরণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। যাতে ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও উৎসাহিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে বিজিবি মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে।
বিজ্ঞাপন
২৮-বিজিবি অধিনায়ক জানান, সিলেটে নির্বাচন প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য হয় ও রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বিজিবি।

