চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বিজ্ঞাপন

জামায়াতের অভিযোগ, রোববার দুপুরে তাদের কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকরা বাধা দেন। একপর্যায়ে নারীকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের নারী কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি কোরআন শরীফ ছুঁইয়ে শপথ করানোর অভিযোগও তোলা হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে জামায়াতের কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুরুষ কর্মীদের ডেকে এনে অতর্কিত হামলা চালান। পরে বহিরাগত লোকজন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায় বলে বিএনপির অভিযোগ।
বিজ্ঞাপন

আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ বিএনপির ৯ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, বারবার জামায়াতের নারীকর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় জামায়াতের নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
এআর

