তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভালো করে যাচাই-বাছাই চলছে। যাতে করে কোনো ভুল না হয়। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্পটি শুরু করা যাচ্ছে না। তাই ২৬ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে না প্রকল্পের কাজ। তাড়াহুড়ো না করে কোনো প্রকার হতাশা ছড়ানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর ভাঙন প্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞাপন

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তিস্তা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীন সরকার উভয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনি ইশতাহারে তিস্তা প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কিন্তু প্রকল্পটা অনেক জটিল হওয়ায় তিনটা বিষয় দেখতে হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙন রোধ ও সেচ দেওয়া। ফলে এটার ফুল প্রুভ করতে চীন একটু সময় নিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে গণশুনানি, জাতীয় পর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে চীন দেশে পাঠানো হয়েছে। এখন চীন যাচাই-বাছাই করছেন। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। তা ছাড়া চীন আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তাই চীনের সঙ্গে সম্পর্কটা গভীর। তা ছাড়া চীনের সঙ্গে আমরা নদী শেয়ার করি। রংপুর অঞ্চলে একটি হাসপাতাল করতে তারা এগিয়ে আসছে। আমাদের স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে আসছে। তবে তিস্তা প্রকল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। তারা কাজ ফেলে রাখেননি। বরং তারা কাজ করছে, আমরা কাজ করছি।
বিজ্ঞাপন

উপদেষ্টা বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এগুলো বরং রাজনৈতিক ইস্যু। তাই নির্বাচিত সরকার এসে এটা করাই ভালো। নির্বাচিত সরকার এসে যাতে আর অপেক্ষা করতে না হয়, সেই প্রস্তুতিটা আমরা গঙা ও তিস্তার ক্ষেত্রে উভয় ক্ষেত্রে করে দিয়েছি।
এসময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুর আড়াইটায় মিনিটে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে গণভোট কার্যক্রমের র্যালিতে অংশ নেবেন তিনি।
প্রতিনিধি/এসএস

