চলতি সপ্তাহে ঠাকুরগাঁওয়ে ঘন কুয়াশার তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও হিমেল হাওয়া ও প্রচণ্ড ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
দিনের শুরুতে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সূর্যের তাপ তেমন প্রভাব ফেলতে পারছে না। সকালে ৮ থেকে ৯টার দিকে রোদের দেখা মিললেও বিকাল গড়াতেই হিমেল বাতাসের সঙ্গে তাপমাত্রা কমতে থাকে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঠান্ডা ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করে, যা জনজীবনকে স্থবির করে তুলছে।
বিজ্ঞাপন
শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে সামান্য উষ্ণতা খোঁজার চেষ্টা করছেন মানুষ।
![]()
এতে বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শীতের কারণে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় প্রতিদিনই শিশু ও বয়স্ক রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। চিকিৎসকরা শীতকালে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলার হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীতের এই তীব্রতায় দ্রুত শীতার্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
![]()
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আলমগীর কবীর ঢাকা মেইলকে জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
![]()
তিনি বলেন, গত সপ্তাহে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে বোরো ধানের বীজতলা ও আলু আবাদ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং পর্যাপ্ত রোদ থাকায় সেই প্রভাব ধীরে ধীরে কেটে উঠছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়মিতভাবে প্রদান করা হচ্ছে।
প্রতিনিধি/এসএস

