রোববার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

রাতের অন্ধকারে প্রবাসীর বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৮ এএম

শেয়ার করুন:

রাতের অন্ধকারে প্রবাসীর বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, বিচার দাবিতে মানববন্ধন
রাতের অন্ধকারে প্রবাসীর বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। ছবি: ঢাকা মেইল

মুন্সীগঞ্জ শহরের মানিকপুর এলাকায় প্রবাসীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। 


বিজ্ঞাপন


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শহরের মানিকপুর এলাকায় রাতের আঁধারে মো. সফিকুর রহমান মাস্টার ও মো. শামসুল আলম হীরাসহ ১৫-২০ জন সংঘবদ্ধভাবে প্রবাসী জাকির হোসেনের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় ঘরের দরজা জানালাও খুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে গৃহবধূ নুসরাত জাহান অপির ফাঁকা বসতঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হলেও এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হয়নি। অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিরা দ্রুত জামিন পেয়ে যাওয়ায় বাদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রবাসী জাকির হোসেনের স্ত্রী ভুক্তভোগী নুসরাত জাহান অপি বলেন, গত ৭ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ করেন, যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু মামলার কাগজপত্র হাতে পাওয়ার আগেই ৮ জানুয়ারি প্রধান আসামি সফিকুর রহমান মাস্টার জামিনে মুক্তি পান। এতে নুসরাত ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নুসরাত জাহান অপির সঙ্গে সফিকুর রহমান মাস্টারের দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৫ জানুয়ারি বসতঘরে তালা দিয়ে বাবার বাড়িতে যান নুসরাত। পরদিন সকালে প্রতিবেশীর মাধ্যমে খবর পান, একদল লোক তাঁর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালাচ্ছে। খবর পেয়ে দ্রুত বাড়িতে এসে তিনি দেখতে পান, অভিযুক্তরা ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি লুটপাট করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরও ছিলেন প্রবাসী জাকির হোসেনের ছেলে আরাফাত শিকদার, হামজা শিকদার, প্রবাসীর মা রাশিদা বেগম, প্রবাসীর ভাই মো. মুকুল, বোন মৌসুমী আক্তারসহ অনেকই।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোমিনুল ইসলাম জানান, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় বুধবার মামলা হয়েছে। দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো  হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

প্রতিনিধি/ক.ম  

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর