মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে কাঁপছে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়। হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় সপ্তাহজুড়ে ঘনকুয়াশা আর হিমশীতল বাতাসের কারণে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। চলতি শীত মৌসুমের মধ্যেও সর্বনিম্ন। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০-১২ কিলোমিটার ছিল। যা গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
![]()
সকাল থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে জেলা শহরের চারপাশ। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনের উপস্থিতি কম। অনেক যানবাহন ঘন কুয়াশার কারণে লাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে।
বিজ্ঞাপন
যাত্রীবাহী বাসচালক মোতালেব হোসেন বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে সকালে ও রাতে গাড়ি চালাতে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
রেনু বেগম নামে এক নারী শ্রমিক বলেন, আমি পাথরের সাইটে কাজ করি। প্রতিদিন সকাল ৬টায় কাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হই। কিন্তু ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে সময়মতো কাজে যেতে পারছি না। এতে করে অনেক দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
![]()
মিজানুর রহমান নামে আরেক পাথর শ্রমিক বলেন, গরম কাপড়ের অভাবে অনেক কষ্টে দিন অতিবাহিত করতে হচ্ছে। যদি সরকার আমাদের পাশে দাঁড়ায় তাহলে দুর্ভোগ কিছুটা কমতো।
অন্যদিকে, তীব্র শীত আর কুয়াশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রতিনিয়তই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।
![]()
জেলার তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা গতকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের তাপমাত্রা অনুযায়ী পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা একটু বেশি। এই সময়টাতে তাপমাত্রাও নিচে নেমে আসে।
প্রতিনিধি/এসএস

