ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আব্দুর রাকিবকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান, নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের (আত্রাই) বিচারক মো. শিমুল সরকার এ নোটিশ দেন।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা জানাতে বলা হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. আব্দুর রাকিব নওগাঁ-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী। নির্বাচনি অনুসন্ধানী কমিটির কাছে আসা অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি খেলার অনুষ্ঠানে জনসম্মুখে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে তিনি প্রকাশ্যে টাকা প্রদান করেন। একই সঙ্গে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। সেই বক্তব্যের ভিডিও জামায়াতের একজন কর্মীর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রচার করিয়েছেন মো. আব্দুর রাকিব। নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তার এসব কার্যকলাপ, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪ ও বিধি ১৮ এর লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হয়।
নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে মো. আব্দুর রাকিবের কাছ থেকে লিখিত জবাব চেয়ে নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনার (মো. আব্দুর রাকিব) বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে কেনো প্রতিবেদন পাঠানো হবে না কিংবা অপরাধ আমলে নিয়ে কেনো বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে না- সে বিষয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. শিমুল সরকারের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।’
এ বিষয়ে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের জামায়াতের প্রার্থী মো. আব্দুর রাকিব বলেন, ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কোনো শোকজের নোটিশ এখনো হাতে পাইনি। খেলার অনুষ্ঠানে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে টাকা প্রদান এবং ওই সময়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার কোনো ঘটনা মনে পড়ছে না। শোকজের নোটিশ হাতে পেলে আমি আদালতে হাজির হয়ে আমার ব্যাখ্যা দেবো।’
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/ এজে

