পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্ত্রী কুলসুম আক্তার (২৫) হত্যা মামলার একমাত্র আসামি স্বামী সাইমনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার চাষাপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের আনছার গাজীর মেয়ে কুলসুম আক্তারের সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে সাইমনের বিয়ে হয়। এটি ছিল কুলসুমের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে তার সংসার ছিল এবং সেই সংসারে তাদের চার বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। সাইমনের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে কুলসুম সাইমনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা কুমিল্লায় বসবাস করতেন।
স্বজন ও পুলিশ জানায়, বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সাইমন অন্য নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। প্রায় এক মাস আগে কুলসুম বাবার বাড়ি মির্জাগঞ্জে চলে আসেন। গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) সাইমন শ্বশুরবাড়িতে আসেন।
বিজ্ঞাপন
ওই দিন রাতে দম্পতি ঘরের দোতলায় ঘুমাতে যান। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ওপরে গিয়ে কুলসুমের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সাইমন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পরকীয়া সংক্রান্ত বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সাইমন ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে কুলসুমকে হত্যা করেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম জানান, পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আসামিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিকেলের মধ্যে তাকে থানায় আনা হবে। এরপর তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিনিধি/এসএস

