দেশব্যাপী মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই ব্যবস্থাপনা বিস্তারের লক্ষ্যে পাঁচ হাজার পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে গ্রিন এইচআর ফাউন্ডেশন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জের এক রিসোর্টে আয়োজিত ফাউন্ডেশনের ফ্যামিলি ডে আউট অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি রওশন আলী বুলবুল।
বিজ্ঞাপন
সংগঠনের সদস্য শরীফুল ইসলাম সোহাগের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের মানবসম্পদ ও উচ্চশিক্ষা খাতের খ্যাতিমান ব্যক্তিবর্গ। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন— এইচআর গুরু ড. মোশাররফ হোসেন, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ সোবহানি, নুরুল ইসলাম, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক জাহিদ হাসান, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ফেরদৌসসহ ২৫০ এর অধিক প্রতিষ্ঠান থেকে আগত মেম্বারগণ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রিন এইচআর ফাউন্ডেশনের সভাপতি রওশন আলী বুলবুল বলেন, গ্রিন এইচআর ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। চলতি বছরেই দেশের ২০টি জেলায় ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি সংগঠনের সদস্যদের আরও দক্ষ ও সক্ষম করে তুলতে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ, পাঠচক্র ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
রাইজিংবিডির প্রকাশক এস এম জাহিদ হাসান বলেন, আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়, সবাইকে নিয়ে এক সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ সোবহানি বলেন, গ্রিন এইচআর যে উদ্যোগগুলো নিয়েছে তা প্রশংসার দাবিদার। মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় তারা যে ভূমিকা রাখছে, তাতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। গ্রিন এইচআরের পাশে আমি সবসময় আছি।
বিজ্ঞাপন
এইচআর গুরু ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, গ্রিন এইচআর নিয়মিত পাঠচক্র ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী লার্নিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠছে। আমি তাদের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতেও তাদের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করব।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই ফ্যামিলি ডে আউট অনুষ্ঠানে ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, পারস্পরিক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হাঁসপার্টি, দেশীয় খেলাধুলা এবং নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ। অংশগ্রহণকারীরা সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গ্রিন এইচআর ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ দেশের মানবসম্পদ পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন, টেকসই এইচআর চর্চা এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এবারের পিকনিকের দায়িত্বে ছিলেন সাইফুল আমিন হাসনাত।
প্রতিনিধি/টিবি

