ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৪৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৯ জনের বৈধ ও ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে শনিবার (৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার প্রথম দিনের যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৫ জন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৩ জনসহ মোট ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
শনিবার দ্বিতীয় দিনের যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে ৩ জন, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১ জন এবং গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে-
বিজ্ঞাপন
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাজেদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার, মোস্তফা মহসিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রমজান আলী ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহফুজুল হক সরদার।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মিহির কুমার ঘোষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মাজেদ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম গোলাম আযম।
গাইবান্ধা-৩ আসনে জনতার দলের প্রার্থী মনজুরুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান ও এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি।
গাইবান্ধা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রউফ আকন্দ।
গাইবান্ধা-৫ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী শ্রী নিরমল, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী সামিউল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সুজাউদ্দৌলা সাজু ও হাসান মেহেদী বিদ্যুতের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, এর আগে পাঁচটি আসন থেকে ৪৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। বাছাইয়ের পর ২৯ প্রার্থীকে বৈধ্য এবং মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অসঙ্গতির কারণে ১৬ প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের জন্য আপিলের সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং সে অনুযায়ী নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিনিধি/এসএস

