শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

রেজা কিবরিয়া ও শেখ সুজাতের সম্পদের মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান

জেলা প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম

শেয়ার করুন:

রেজা কিবরিয়া ও শেখ সুজাতের সম্পদের মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া এবং একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়ার মধ্যে অর্থসম্পদের বিশাল ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, রেজা কিবরিয়ার বার্ষিক আয় শেখ সুজাতের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ এবং তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ প্রায় দ্বিগুণ।

প্রার্থীদের সম্পদ ও আয়ের বিবরণ:
১. ড. রেজা কিবরিয়া:


বিজ্ঞাপন


বার্ষিক আয়: নিজের ও তিন নির্ভরশীল সদস্যের মোট বার্ষিক আয় ৩১ লাখ ১ হাজার ৬৪৬ টাকা।

ব্যক্তিগত সম্পদ: তার নামে ৩ কোটি ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৬ টাকার অস্থাবর এবং ৪ কোটি ১৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া ধানমন্ডিতে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

স্ত্রীর সম্পদ: স্ত্রীর নামে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৩ টাকার স্থাবর সম্পদ, ২ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকার অন্যান্য সম্পদ এবং ১২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

মোট সম্পদ: স্বামী-স্ত্রীর সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ কোটি ৪০ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫৯ টাকা।


বিজ্ঞাপন


অন্যান্য: তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

২. শেখ সুজাত মিয়া:

বার্ষিক আয়: কৃষি, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য খাত থেকে বছরে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

সম্পদ: তার অস্থাবর সম্পদ ৯৮ লাখ ৪ হাজার ৫২৯ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। তার সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ৭১ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৯ টাকা।

অন্যান্য: তিনি স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ দেখাননি। পেশায় ব্যবসায়ী শেখ সুজাতের বিরুদ্ধে আগে পাঁচটি মামলা থাকলেও বর্তমানে চারটিতে অব্যাহতি এবং একটি নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য থেকে জিসিএসই পাস করেছেন।

এদিকে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মো. শাহজাহান আলী (জামায়াতে ইসলামী): বার্ষিক আয় ৮ লাখ ২০ হাজার ৮৮৫ টাকা। অস্থাবর সম্পদ ২২ লাখ ৩০ হাজার ৬৬১ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭৪ টাকা। তার বিরুদ্ধে থাকা ৩৭টি মামলার মধ্যে বর্তমানে একটি বিচারাধীন। তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং পেশায় শিক্ষক।

মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (খেলাফত মজলিস): দাওরায়ে হাদিস পাস এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে প্রায় সোয়া দুই কোটি টাকা থাকলেও ২৯ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে।

কাজী তোফায়েল আহমেদ (বাসদ): পেশায় সাংবাদিক এই প্রার্থীর পরিবারসহ বার্ষিক আয় প্রায় ১৫ লাখ টাকা। নিজের ও স্ত্রীর নামে সব মিলিয়ে প্রায় ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকলেও স্থাবর সম্পদ মাত্র দেড় লাখ টাকার।

মোহাম্মদ বদরুর রেজা (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ): কামিল পাস এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪৩ টাকা। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ মাত্র ১ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

প্রতিনিধি/একেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর