ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে প্রথম ধাপে তিনটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ে ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাকি ১৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বরিশাল-৪, বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনের মোট ২১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই করেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বরিশাল জেলার বাকি তিনটি সংসদীয় আসন বরিশাল-১, বরিশাল-২ ও বরিশাল-৩ এর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে।
বরিশাল-৫ সদর আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্রের ২০ নম্বর পাতায় স্বাক্ষর করেনি এবং ২১ নম্বর পাতা পূরণ না করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এছাড়া বরিশাল-৫ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটার তালিকা ও প্রস্তাবক-সমর্থকদের তথ্য সঠিক না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে দুটি মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে হলফনামা, নোটারির কাগজে স্বাক্ষর না থাকা এবং অঙ্গীকারনামায় অসংগতির কারণে বরিশাল-৫ আসনের বাসদ প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া আয়কর রিটার্ন সনদ না থাকা, ১০ (বি) ফরম সংযুক্ত না করা এবং ছবি সত্যায়িত না থাকায় বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের মুসলিম লীগ প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। কাগজপত্র সংশোধন করে জমাদানের পর রোববার স্থগিত হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে ফের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন দেবে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বলেন, প্রথম ধাপে তিনটি সংসদীয় আসনের মনোনয়ন যাচাই করা হয়েছে। এতে দুটি মনোনয়ন বাতিল ও দুটি স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৬২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৪৮ জন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
প্রতিনিধি/এসএস

