গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার বাজারগুলোতে সিলিন্ডার (এলপিজি) গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা সংকট দেখিয়ে সিলিন্ডার প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি আদায় করছে এর ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ডিসেম্বর মাসের জন্য গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দোহার উপজেলার বিভিন্ন বাজালগুলোতে বাড়তি দামে রান্নার গ্যাস বিক্রি করছে খুচরা ব্যবসায়ীরা।
বিজ্ঞাপন
গত কয়েকদিন দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রতি সিলিন্ডার এলপিজি ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। যদিও ভোক্তাদের সবসময়ই নির্ধারিত দামের চেয়ে কিছুটা বাড়তি দামে কিনতে হয়। তবে, এবার চড়া দামের পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকটও দেখা দেওয়ার গ্রাহক পর্যায়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
উপজেলার পালামগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মো. ওয়াদুদ জানায়, আমরা গত এক সপ্তাহ আগে থেকে যমুনা গ্যাস দিচ্ছে না নির্ধারিত ডিলার। বিএম ও বেঙ্গলের পাওয়া গেলেও সিলিন্ডার ডিলাররা আমাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা রাখছে।
আরও পড়ুন
উপজেলা বাংলাবাজার এলাকার খুচরা গ্যাস ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সিলিন্ডার গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে গ্রাহকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।
বিজ্ঞাপন
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, শীতকালে স্বাভাবিকভাবে এলপিজির চাহিদা বাড়ে। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। চাহিদা ও জোগানের এই অসামঞ্জস্যের সুযোগ নিয়ে খুচরা পর্যায়ে দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলার যমুনা গ্যাসের ডিলার আব্দুল হান্নান জানান, আমাদেরকে কোম্পানি গত ১০ দিন ধরে গ্যাস দিচ্ছে না। এজন্য আমরা খুচরা পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের কাছে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম জানান, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ও সংকটের বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/এসএস

