পটুয়াখালী-২ (বাউফল) ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই রাজনৈতিক নেতার হলফনামা বিশ্লেষণে আর্থিক অবস্থার ভিন্নধর্মী চিত্র উঠে এসেছে।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নামে কোনো জমি, বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৪ টাকা। এ সময়ে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১০ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা এবং তিনি আয়কর প্রদান করেছেন ৪৫ হাজার ৪২৫ টাকা।
বিজ্ঞাপন
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তার কাছে নগদ ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা এবং ব্যাংকে জমা ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ টাকা রয়েছে। পেশায় তিনি একজন পরামর্শক। শেয়ার ও অন্যান্য খাতে তার বিনিয়োগ রয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা। তবে পারিবারিকভাবে তার ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত ঋণ (হাতঋণ) রয়েছে। ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক, যার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৫ টাকা।
অন্যদিকে, বার্ষিক আয়ের দিক থেকে অনেক বড় রাজনৈতিক নেতাকেও ছাড়িয়ে গেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। হলফনামা অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা, যার মধ্যে ব্যবসা থেকেই আসে ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা।
নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১ টাকা। সম্পদের তালিকায় তার নামে ৮২ শতাংশ (ডেসিমেল) জমি এবং স্ত্রীর নামে ৩ একর কৃষিজমি রয়েছে। দায় হিসেবে তার ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকা ঋণ রয়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা চলমান।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির জোটের সমর্থনে ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী-২ আসন থেকে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি

