শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ঢাকা

এলজিইডি অফিসের অলসতায় থমকে আছে সড়কের কাজ

মো. হাবিবুর রহমান, নড়াইল
প্রকাশিত: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৭ পিএম

শেয়ার করুন:

এলজিইডি অফিসের অলসতায় থমকে আছে সড়কের কাজ

নড়াইলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর (এলজিইডি) অফিসের অলসতায় থমকে আছে আকদিয়া-নিরালি সড়কের কাজ। দীর্ঘ আড়াই বছরেও শেষ হয়নি এই সড়কটির কাজ। কাজ শেষ না হওয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

নড়াইল স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আইআরআইডিপি-৩ প্রকল্পে আকদিয়া-নিরালি ২৫শ মিটার সড়কের কাজ ২ কোটি ৩০ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৬ টাকা চুক্তিতে মেসার্স ফকির এন্টারপ্রাইজ শুরু করে। তবে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও বাকি রয়েছে কার্পেটিংসহ পেলাসেটিং এর কাজ।


বিজ্ঞাপন


জানা গেছে, সড়কটির সঙ্গে ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ, ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন পরিষদ, কয়েকটি ছোট ছোট বাজারসহ ১টি বড় বাজার রয়েছে। সড়কের কাজ এভাবে ফেলে রাখায় ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল কলেজে যাওয়া-আসা করতে বেগ পেতে হচ্ছে। হাট বাজারে যাওয়া-আসাসহ বিল থেকে ফসল আনতে ও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষের।

স্কুল শিক্ষার্থী আফরিন আকতার বলেন, পায়ে হেঁটে যেতে হয় স্কুলে। ধুলাবালিতে রাস্তা দিয়ে হাঁটাও যায় না। অল্প বৃষ্টিতে রাস্তাটি কাদামাটিতে পরিণত হয়, আমাদের যাতায়াতে অনেক অসুবিধা হয়।

সুজিত বিশ্বাস নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ী বলেন, এই রাস্তা নিয়ে আমরা আছি মহাবিপদে দীর্ঘ তিন বছর হলো এই রাস্তার কাজ শুরু হইছে এখনও শেষ হওয়ার নাম নেই। একটা রোগী ও অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়ার কায়দা নেই।

thumbnail_IMG_20251202_203317


বিজ্ঞাপন


স্থানীয় বাসিন্দা পারুল বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কাজ শেষ না করে ফেলে রাখায় বর্ষাকালে আমাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। যে কারণে এখানকার ছেলে মেয়েদের ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে পারি না। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও অনেক কষ্ট হয় আর রোগী ও অনেক কষ্ট পায়।

 

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফকির এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সড়কটি নদীর পাশ দিয়ে হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ভেঙ্গে গেছে এবং আমাদের করা এক জায়গার পেলাসেটিং ও ভেঙ্গে নদীতে চলে গেছে যার জন্য কাজটি করতে পারছি না। আমি অফিসকে চিঠি দিয়েছি, অফিস সমাধান করে দিলেই আমি কাজটি শুরু করব।

এদিকে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার ইকরামুল কবীর বলেন, রাস্তাটি নদীর পাশ দিয়ে হওয়ায় অতিরিক্ত কিছু পেলাসেটিং করা লাগবে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজটি শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।

প্রতিনিধি/টিবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর