বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার জন্য অফিসাররা উদগ্রীব থাকেন: বিদায়ী জেলা প্রশাসক

জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০২:১৩ পিএম

শেয়ার করুন:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার জন্য অফিসাররা উদগ্রীব থাকেন: বিদায়ী জেলা প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ে অন্য জেলায় আরো অনেক ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর মারামারি হয়। বিশ জেলায় কাজ করেছি, সেখানে দেখেছি। গোষ্টিগত দ্বন্দ্ব—এটা রেগুলার সব জায়গায় হয়। কিন্তু এটা বলে বলে এ জেলার মানুষকে নেগেটিভলি উপস্থাপন করা হয়। হাস্যরসের ভাব তৈরি করা হয়। মোবাইল খুললে, রিলসে দেখবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মারামারি। আসলে কি তাই আসলে কিন্তু তা না। আমার যখন এ জেলায় অর্ডার হয়, তখন অনেকে বলেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া! কেমনে সামলাবা হেন-তেন। এখানকার অফিসাররা যারা একবার চলে যান, তারা এখানে আরেকবার আসার জন্য উদগ্রীব থাকেন। কারণ তারা একবার বুঝে যান পরিবেশটা ঠিক ওই রকম নয়।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে বিদায় সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন তিনি।


বিজ্ঞাপন


এসময় তিনি আরও বলেন, আমি বারবার বলেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করতে না পারে, তাহলে দেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না। এটা আমার নিজের দেখা। এজন্য আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।

তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগদানের পর কোন কাজগুলো আমাকে করতে হবে এর অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করি। তাতে দেখা যায়, এখানকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়ক পথে যাতায়াতে দুর্ভোগ লাগবে একাধিক আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করতে তার প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন— অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূইয়া, এনডিসি শাহরিয়ার হাসান খান।

এসময় বক্তব্য রখেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সাবেক সভাপতি মো. আরজু, সিনিয়র সদস্য মনজুরুল আলম, সাবেক সহ-সভাপতি শেখ মো. সহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য ও আল আমিন শাহিন, সদস্য শাহাদাত হোসেন, দৈনিক কালেরকণ্ঠের বিশ্বজিৎ পাল বাবু প্রমুখ।


বিজ্ঞাপন


অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের দফতর সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ।

প্রতিনিধি/টিবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর