সুন্দরবন থেকে কীটনাশকসহ জেলে নামধারী পাঁচ বিষদস্যুকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটক বিষদস্যুদের কাছ থেকে ৭ বোতল রিপকর্ড কীটনাশক, ২টি নৌকা, ২টি জাল ও বিষ প্রয়োগে ধরা প্রায় এক মণ চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজউল করীম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বনবিভাগ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুপতি স্টেশনের বনরক্ষীরা বেতমোর সাইড খালে অভিযান চালিয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার সময় খলিল, আলামীন ও জাহিদ নামে তিন জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুই বোতল রিপকর্ড, ৩৯ কেজি চিংড়ি ও একটি খালপাটা জাল জব্দ করা হয়।
একই দিন বিকেলে শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা বনের ২ নম্বর কম্পার্টমেন্টের দুধমুখী ডলফিন অভয়ারণ্য এলাকার ভাইজোড়া খালে অভিযান চালিয়ে বাবুল হাওরাদার ও ইব্রাহীম ব্যাপারীকে আকট করেন। এসময় দলের আরো চার সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এদের কাছ খেকে পাঁচ বোতল রিপকর্ড, দু'টি নৌকা ও একটি চরপাটা জাল জব্দ করা হয়। আটক বিষদস্যুদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা ও রায়েন্দা গ্রামে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজউল করীম চৌধুরী বলেন, আটক বিষদস্যুদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দিয়ে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বেপরোয়া বিষদস্যুরা যাতে কোনোভাবেই অপতৎপরতা চালাতে না পারে সে ব্যাপারে পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা ও চাঁদাপাই রেঞ্জের সব স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিএফও রেজাউল করীম চৌধুরী আরও বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য বিপন্নকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বিষদস্যুরা ইদানিং এতো বাড় বেড়েছে যে, এদেরকে প্রতিহত করতে এখন সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। এদেরকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য বনসংলগ্ন এলাকার সচেতন মহলের কাছে আহ্বান জানাই।
প্রতিনিধি/এসএস




