নোয়াখালীতে পুলিশ হেফাজতে আবদুর রহমান (৩৪) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। তিনি সোনাইমুড়ি উপজেলার হীরাপুর গ্রামের মৃত সাইদুল হকের ছেলে ও স্থানীয় যুবদলের কর্মী ছিলেন।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বিকেলে সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এসময় জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা তাকে দেখতে যান।
বিজ্ঞাপন
নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন জানায়, এমন নির্মম অত্যাচার করে আব্দুর রহমানকে হত্যার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত এ হত্যার বিচার দাবি করেন।
জানা যায়, নিহত আব্দুর রহমান ও আহত হাবিবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। রোববার ভোর ৪টায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কোর্টে চালান করা হয়।
আদালতে আব্দুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান এবং আহত হাবিব এখনও চিকিৎসাধীন আছেন।
বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাদের আটকের পর মারধর করা হয়। যে সময় তাদের আদালতে ওঠানো হয়। ওই সময় তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। পরে আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসারত অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি যদি যথা সময়ে চিকিৎসা করা যেতে তাহলে তার মৃত্যু হতো না ।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোরশেদ আলম জানান, যৌথ বাহিনী পুলিশের কাছে আবদুর রহমান ও হাবিবুর রহমানকে হস্তান্তর করে। তখন তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ৩টা ১০ মিনিটে আদালতে পাঠানো হয়।
ওসি আরও বলেন, আটক হাবিব ভালো আছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি পেলে লাশ পোস্টমর্টেমের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ দিকে আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া আগের তিনটি মামলা রয়েছে। হাবিবুরের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাদের কাছ থেকে রাইফেলের দু’টি গুলি ও তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস

