বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

অফিস না করে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, যবিপ্রবি
প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:০২ পিএম

শেয়ার করুন:

অফিস না করে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে

নিয়মিত অফিস না করে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কয়েকজন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এবিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সুমন আলী রেজিস্ট্রার বরাবর এ অভিযোগ করেন।


বিজ্ঞাপন


অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন, অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ, কর্মকর্তা হেলালুল ইসলাম, এটিএম কামরুল হাসান, কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদল, টেকনিক্যাল অফিসার সাইফুল, সিকিউরিটি গার্ড আসাদুল ইসলামসহ আরও অনেকে। এছাড়াও আভিযোগপত্রে এদেরকে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

অভিযোগ পত্রে শিক্ষার্থীরা লেখেন, বিগত ১৬ বছরে দেশ ও দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাঠামোগতভাবে যে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, যবিপ্রবিও তার বাইরে ছিল না। যবিপ্রবিতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে যারা কাজ করেছিল গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালের চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বেতন তুলছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ২০২৪ এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে জাতি যে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখছে, স্বৈরাচারের দোসরদের বিনা অফিসে বেতন উত্তোলন তার পরিপন্থী। তাই যারা অফিস না করে, বিশ্ববিদ্যালের চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে বেতন তুলেছেন এবং স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন

ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত ‘হলে’ সিট পেলেন রাবির শিবির সভাপতি

এবিষয়ে অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


বিজ্ঞাপন


বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা এটিএম কামরুল হাসান বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। শনিবার অফিসে এবিষয়ে আমি লিখিতভাবে আমার অবস্থান ক্লিয়ার করব। কি আইন লঙ্ঘন হয়েছে তা তারা দেখায়নি। তাই এখনও বিষয়টি আমি বুঝতে পারছি না।

অপর কর্মকতা মো. হেলালুল ইসলাম বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। শনিবার বিষয়টি দেখে তারপর বলতে পারব। এ বিষয়ে এখন আমি কথা বলতে পারছি না।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব বলেন, আমি একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এটি এখন প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে পাঠানো হবে। সবকিছু খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর