এবার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় শহরের হক চিড়ের মিল এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের একাংশের মিছিলটি বের হয়ে বাসস্ট্যান্ড ঘুরে কোটচাঁদপুর রোডে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পাশে অনুষ্ঠিত হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতিমূলক সভাস্থলে তারা। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সাইদুল করিম মিন্টু নিঃশর্ত মুক্তি চান।
সভা পরবর্তী ব্যানার নিয়ে মহাসড়কে অবস্থান করতে দেখা যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল হোসেন, সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, কাউন্সিলর রাশেদুল হক রিগান, শ্রমিক লীগ নেতা মুশফিকুর রহমান ডাবলু, কালীগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ লাভলুসহ অনেকে।
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের পর ঝিনাইদহ-৪ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা হত্যাকারীদের সুষ্ঠু বিচার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করতে দেখা গেলেও বৃহস্পতিবার প্রথম প্রকাশ্যে ব্যানার নিয়ে এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জেলে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজপথের নামলেন উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের পদধারী অনেক নেতা।
দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগ দুই গ্রুপে বিভক্ত। একটি গ্রুপে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার এবং আরেকটি গ্রুপে সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আব্দুল মান্নানের অনুসারীরা নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী ছিলেন। সর্বশেষ ঘোষিত উপজেলা আওয়ামী লীগের ১০ সদস্য কমিটির প্রায় সবাই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর অনুসারী। এমপি হত্যার বিচার চেয়ে বাসস্ট্যান্ডে প্রথম মানববন্ধনে দেখা যায় সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতিকে।
প্রতিনিধি/এমএইচটি




