ঝিনাইদহে বরুণ হত্যার বিচার চাইলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা। ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) নিহতের বাড়ি ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এমন নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
বিজ্ঞাপন
নিহত বরুন কুমার ঘোষ নৌকার সমর্থক ছিলেন। এখন এ ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় নিহতের বাড়ি ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার সাহা, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সুভাশীষ কুমার বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার সাহা গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রিক এমন হত্যাকাণ্ড সাম্প্রদায়িকতার বহিঃপ্রকাশ মন্তব্য করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করার জোর দাবি জানিয়েছেন নেতারা। নির্বাচন পরবর্তী যে সহিংসতার ঘটনাগুলো ঘটছে তা সত্যিই সাম্প্রদায়িকতার বহিঃপ্রকাশ। এটা বহির্বিশ্বসহ দেশে ভিন্ন এক মেসেজ দেবে। নির্মমতার একটা সীমা থাকা দরকার । বরুণকে যেভাবে মারা হয়েছে তা সব সীমা অতিক্রম করেছে । কিসের এত আক্রোশ ছিল - তা আমরাও জানতে চাই । অবশ্যই আমরা ফিরে যেয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসবো । বারবার এমন হতে দেওয়া যাবে না। কারা করেছে এ হত্যাকাণ্ড, তাদের সমূলে উৎপাটন করতে হবে। প্রশাসনকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে। আমরা এর বিচার চাই ।
থানায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি, তবে লাশের শেষকৃত্য শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের হামদহ ঘোষপাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষ নেওয়ায় বরুন ঘোষ নামে ওই কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। নিহত বরুন ঘোষ শহরের হামদহ ঘোষপাড়া এলাকার মৃত নরেণ ঘোষের ছেলে।
এমইউ




