সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ ট্রলের শিকার হয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সর্বশেষ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে বেশ কষ্টে রয়েছেন তিনি। ভালোভাবে কথা বলছেন না কারও সঙ্গে। এড়িয়ে যচ্ছেন রাজশাহীর সাংবাদিকদের। তবে সোমবার (৮ জানুয়ারি) একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
মাহিয়া মাহি জানিয়েছেন, সব ঠিকঠাক মনে করে এখন নতুন করে তিনি পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, আমি এখনও এলাকায় রয়েছি। অনেক কিছু নিয়ে কথা থাকলেও সেগুলো বলতে চাই না। আমি মানুষের কাছে গিয়েছি, তাদের সাড়া পেয়েছি, তারা ভালোবেসেছেন। ফেসবুকে অনেক কিছুই দেখেছি।
বিজ্ঞাপন
মাহি বলেন, এলাকায় সবকিছু গোছগাছ করতে কদিন সময় লাগবে। তারপর ঢাকায় ফিরব। পরে কী করব, সেসব নিয়েই পরিকল্পনা করছি। একটু ঠিকঠাক করে গুছিয়ে নিচ্ছি।
ট্রলের ব্যাপারে তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে আর নতুন করে কী বলব? আমার অভ্যাস আছে। আমি ইউজড টু। ট্রল তো নিয়মিতই আমার সঙ্গে হয়। কিন্তু একটা কথা বলব, মানুষকে এভাবে ট্রল করা ঠিক না। একটা মেয়ে হয়ে নির্বাচন করেছি। এভাবে কাউকে ট্রল করবেন না প্লিজ। আপনাদের কাছের কেউ নির্বাচন করলে তখন বুঝতে পারবেন, এটা কতটা কঠিন।
রাজশাহী-১ (তানোর- গোদাগাড়ী) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহিয়া মাহি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯টি ভোট। তবে ১৭টি কেন্দ্রে একটি ভোটও পাননি তিনি। তানোর উপজেলায় ২ হাজার ৮২ ও গোদাগাড়ী উপজেলায় ৬ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়েছেন মাহি।
এ আসনের ১০ প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। আর ৯২ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানি। তবে ১ লাখ ৩ হাজার ৫৯২ ভোট পেয়ে ১১ হাজার ১৭৩ ভোটের ব্যবধানে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।
বিজ্ঞাপন
নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় কাস্ট হওয়া ভোটের ১২ শতাংশ ভোট কোনো প্রার্থী না পেলে তিনি জামানত হারাবেন। নায়িকা মাহিয়া মাহি ১২ শতাংশেরও কম ভোট পেয়েছেন। রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত ১০টায় রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ভোটের এ ফলাফল জানানো হয়। যে কারণে ট্রাক নিয়ে খাদে পড়ে থেকে এবার জামানতের টাকাও হারাচ্ছেন মাহি।
প্রতিনিধি/এসএস




