বসন্তের নানান ফুলের রংয়ে সেজেছে নাটোরের উত্তরা গণভবন। ফুটন্ত বাহারি প্রজাতির লাল, নীল, হলুদ ফুলগুলো জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্ত এসেছে। গাছের ডালে ডালে হিমেল বাতাসে ঢুলছে রাশি রাশি ফুল। ফুলের মাতাল ঘ্রাণে খেলা করছে মৌমাছি ও প্রজাপতি।
এ বছর উত্তরা গণভবনে নানান প্রজাতির বাহারি জাতের ২৯ প্রজাতির ২৮ হাজার ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিরল প্রজাতির ফুলও ফুটেছে। যার মধ্যে সাদা এ্যারামন্ডা, হোয়াইট পয়েন্সেটিয়া, পারিজাতসহ বাহারি বিরল প্রজাতির ফুল। প্রতিদিন দর্শনার্থীরা গণভনে এসে উপভোগ করছে ফুলের শোভা। অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা। এসব বাহারি ফুল মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের। ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন ছবি তুলতে।
গণভবনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী প্রিয়াংকা দেবী বলেন, গণভবনে অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল ফুটেছে, অনেক সুন্দর সুন্দর রকমারি গাছ রয়েছে, বসার মতো সুন্দর পরিবেশ আছে সব মিলিয়ে আমি মুগ্ধ।
আরেক দর্শনার্থী শ্রাবন্তী খাতুন বলেন, এখানে আগেও অনেকবার এসেছি। তবে এবারই প্রথম ফুলের সময়ে এসেছি। পুরো গণভবন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। অনেক সুন্দর লাগছে। সৌন্দর্য উপভোগ করে মুগ্ধ হয়েছি।
জেলা প্রশাসক মো. শামীম আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত উত্তরা গণভবনে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন। বসন্তের আগমনে উত্তরা গণভবন এক অপরূপ সাজে সেজেছে। বর্তমানের যে রূপ তা দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থী ও পর্যটকরা।
১৯৭২ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাটোর দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন। বঙ্গবন্ধু উত্তরা গণভবনের মূল প্রাসাদের ভেতরে মন্ত্রীসভার বৈঠকও করেন। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে উত্তরা গণভবনে মন্ত্রীপরিষদের বৈঠক হয়।
এএ




