নেত্রকোনার কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিসহ অন্তত ৩৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় দুইজন নেতাকে আটক করে পুলিশ।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের ছোটবাজার এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এদিন বিকেল ৩টা থেকে জেলারর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জনসভা করে কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকর্মীরা।
কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীদের দাবি, সমাবেশ শেষে তারা দলীয় শ্লোগান নিয়ে শহীদ মিনার থেকে বের হচ্ছিলেন। এসময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালান। এতে সিপিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য চিকিৎসক দীবালোক সিংহ, সদস্য জলি তালুকদার, জেলা কমিটির সভাপতি নলিনী কান্ত সরকারসহ অন্তত ৩৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ লাঠিচার্জ করে জেলা সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মো. মোস্তফা কামাল ও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান ওরফে সায়েমকে আটক করে নিয়ে যায়।
হামলার শিকার সিপিবির জেলা কমিটির সভাপতি নলিনী কান্ত সরকার বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ শেষ করে শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে নেতা-কর্মীরা বের হচ্ছিলেন। শহীদ মিনারের ভেতরেই সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিক ও নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ বাধা দিয়ে লাঠিচার্জ চালায়। এতে আমাদের অর্ধশত নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে যুবলীগসহ সরকারি দলের নামধারী উচ্ছৃঙ্খল যুবকেরা শ্লোগান নিয়ে এসে পুলিশের সামনে আরেক দফা আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল হক বলেন, সভা শেষে নেতাকর্মীরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। তাদের বাধা দেওয়ায় নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এময় পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
টিবি




