জামালপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন দেখা দিয়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের বরখাল এলাকায়।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে এ রেকর্ড করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে পানির প্রবল তোড়ে বরখাল, মাঝিপাড়া ও খানপাড়া এলাকায় তীব্র ভাঙন শুরু হয়। গত দুইদিনে ওইসব এলাকার ১৫টি ঘরবাড়ি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে। ভাঙনের মুখে পড়েছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, উজানের ঢলে যমুনা নদীর পানি বাড়লেও বড় ধরণের কোনো বন্যার আশঙ্কা তারা দেখছেন না। আর ভাঙনকবলিত এলাকায় তারা জরুরিভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছেন।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন জানান, বন্যায় ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জে ১৬টি ইউনিয়নে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ওইসব এলাকায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য ৫০ মে.টন চাল, ৪ লাখ টাকা, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধি/এইচই




