ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে এসেও দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের পটুয়াকোল গ্রামের মহসীন আলী ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ করে সংসার চালিয়ে আসছেন। গরুর হালের চেয়ে ঘোড়া দিয়ে দ্বিগুণ জমিতে চাষ করা যায়।
আদিকাল থেকে গরু দিয়ে হাল চাষের প্রচলন থাকলেও মহসীন আলী ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ করায় এলাকায় তিনি ঘোড়া মহসীন নামে পরিচিতি পেয়েছেন। এলাকায় ঘোড়া মহসীনের নাম ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিদিন কেউ না কেউ তার ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ দেখতে আসেন বলেও জানা গেছে।
সরজমিনে দেখা গেছে, ঘোড়া দিয়ে পটুয়াকোল মাঠে ভুট্টা বপনের জমি চাষ করছেন মহসীন আলী। আদিকাল থেকে গরু দিয়ে হাল চাষের প্রচলন থাকলেও মহসীন আলী ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ করায় এলাকায় তিনি ঘোড়া মহসীন নামে পরিচিতি পেয়েছেন।

মহসিন জানান, এক জোড়া হালের গরু কিনতে দেড়-দু’লাখ টাকা লাগে। তাই তিনি মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে এক জোড়া ঘোড়া কিনেছেন। সেই ঘোড়াকে হাল চাষের উপযোগী করে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। এতে তার সংসারে স্বচ্ছলতাও এসেছে।
মহসীন বলেন, যেখানে গরু দিয়ে দিনে মাত্র এক-দেড় বিঘা জমি চাষ করা যায় সেখানে ঘোড়া দিয়ে চাষ করা যায় তিন বিঘা জমি।
নিজের জমি চাষাবাদ ছাড়াও ৬০০ টাকা বিঘা দরে অন্যের জমিতে চাষ দিয়ে থাকেন মহসীন। প্রতিদিন ঘোড়ার খাবার বাদ দিয়ে তিনি ১ হাজার থেকে ১৩শ’ টাকা পর্যন্ত আয় করেন। এই টাকা দিয়ে তিনি সংসার পরিচালনা ও ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া চালান।
এএ




