‘উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মধ্যদিয়ে দেশের বিমান যোগাযোগের পরিধি বাড়ছে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:২০ পিএম
‘উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মধ্যদিয়ে দেশের বিমান যোগাযোগের পরিধি বাড়ছে’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল বৃহত্তম বিমান পরিবহন বাজার হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সুযোগকে গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশে এভিয়েশন শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য বর্তমান সরকার বেশকিছু নীতি প্রবর্তন করেছে এবং আইনগত সংস্কার করেছে। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মধ্যদিয়ে দেশের বিমান যোগাযোগের পরিধি বাড়ছে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সাউথ এশিয়ার (কসক্যাপ-এসএ) ৩০তম স্টিয়ারিং কমিটির সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

Aviationদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন শিল্পেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিমান পরিকাঠামোর সময়োপযোগী সম্প্রসারণ, যাত্রী সেবা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত ও জন দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সুষ্ঠু বিমান চলাচল নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ চলছে। আর এসব কার্যক্রমের লক্ষ্যই হলো দেশকে একটি প্রধান এভিয়েশন হাব এবং আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় দেশের এভিয়েশন সেক্টর আন্তর্জাতিক মানে বিকশিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

Aviationঅনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তাও মা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এতে দক্ষিণ এশিয়ার ৮ দেশের সিভিল এভিয়েশন প্রধানরা অংশ নেন।

এ দিন অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী আকস্মিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান এবং ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। একই সময় তিনি বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস ইক্যুইপমেন্ট ডিভিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখার পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের নির্দেশনা দেন।

এমআইকে/আইএইচ