উৎফুল্ল এয়ার অ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ, উন্নত সেবা দেওয়ার অঙ্গীকার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ নভেম্বর ২০২২, ০৬:১৬ পিএম
উৎফুল্ল এয়ার অ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ, উন্নত সেবা দেওয়ার অঙ্গীকার

অবশেষে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেল দেশের নতুন বেসরকারি বিমান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘এয়ার অ্যাস্ট্রা’। নানা ধাপ পেরিয়ে দেশের আকাশে ওড়ার সুযোগ পেয়ে বেশ উৎফুল্ল প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট সবাই। একইসঙ্গে সরকার, ব্যবসায়ীক অংশীদার, অন্যান্য বেসরকারি এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছে এয়ার অ্যাস্ট্রা।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দেশের আকাশে ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর নিজেদের ফেসবুক পেজে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যাত্রা শুরুর পর থেকে নতুন নতুন সেবা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে এয়ার অ্যাস্ট্রা।

ফ্লাইট পরিচালনার জন্য গত বছরই বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) থেকে অনুমোদন পেয়েছিল নতুন বাংলাদেশি এই এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু করোনার কারণে সে সময় যাত্রা শুরু করতে পারেনি তারা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বেসরকারি এই এয়ারলাইন্সটির উপ-ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) সাকিব হাসান শুভ ঢাকা মেইলকে জানান, বেবিচক থেকে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেটের (এসিও) প্রয়োজন হয়। সেটি তারা আজ পেয়েছেন। ফলে এখন থেকে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য কোনো বাধা থাকল না।

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এয়ার অ্যাস্ট্রার পক্ষ থেকে বলা হয়, টেকইফের জন্য পরিষ্কার। ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রথম যাত্রী বিমান হিসাবে, এয়ার অ্যাস্ট্রা বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএবি) থেকে এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট (এওসি) পেয়েছে যা বাংলাদেশের দেশীয় নেটওয়ার্ক জুড়ে বাণিজ্যিক ফ্লাইট অপারেশন শুরু করতে চলেছে।

‘আমরা সরকার কর্তৃপক্ষ, বাণিজ্য অংশীদার, বর্তমানে পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্স, এবং অন্যান্য শিল্প অংশীদারদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই যারা আমাদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন এবং এই সময়ে আমাদের প্রচেষ্টায় আমাদের সমর্থন করেছেন এর ফলে এই অর্জনের ফলে অবিশ্বাস্য দল যে এয়ার অ্যাস্ট্রা তৈরি করে।’

যাত্রী সেবা নিয়ে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিমান যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান বাজারে নতুন, নতুন মানের সেবা আনতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে অবদান রাখতে আমরা উত্তেজিত। 
গত ২৫ বছরে দেশে ১০টি বেসরকারি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

এছাড়া বাংলাদেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ার ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এর মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে, অ্যারো বেঙ্গল, এয়ার পারাবত, রয়্যাল বেঙ্গল, এয়ার বাংলাদেশ, জিএমজি এয়ারলাইনস, বেস্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়ার ও রিজেন্ট এয়ার। সবশেষ করোনার মধ্যে গত বছরের মার্চ থেকে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে রিজেনট এয়ার।

বন্ধ হয়ে যাওয়া এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে জিএমজি, রিজেন্ট ও ইউনাইটেড আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও পরিচালনা করত।

বিইউ/এএস