আকাশপথে ভ্রমণের সময় পাওয়ার ব্যাংক আমাদের নিত্যসঙ্গী হলেও এর সঠিক ব্যবহার না জানলে ঘটতে পারে বড় ধরনের বিপদ। সম্প্রতি ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগার ঘটনার পর উড়োজাহাজে এই যন্ত্রটি বহনের ক্ষেত্রে কড়া নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (DGCA)। মূলত লিথিয়াম ব্যাটারির অগ্নঝুঁকি এড়াতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

বিজ্ঞাপন
ডিজিসিএ-র নির্দেশিকা অনুযায়ী, পাওয়ার ব্যাংক কোনোভাবেই চেক-ইন লাগেজে রাখা যাবে না; এটি শুধুমাত্র হ্যান্ড ব্যাগেজ বা কেবিন ব্যাগে বহন করা যাবে। তবে বিমানে থাকাকালীন পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস চার্জ দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি সিটের পাওয়ার আউটলেট থেকেও চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে পাওয়ার ব্যাংক সবসময় নিজের কাছে রাখা উচিত, যাতে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত নজরে আসে।

ভ্রমণের সময় বিপদ এড়াতে সার্টিফাইড ও উন্নত মানের পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নষ্ট বা ফুলে যাওয়া পাওয়ার ব্যাংক বহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: বিমানের বোর্ডিং পাসে ‘RR’ লেখা থাকলে সাবধান, এটা কি কোনো বিপদের সংকেত?
এছাড়া বেশিরভাগ এয়ারলাইন্স ১০০ ওয়াট-আওয়ার (প্রায় ২৭,০০০ এমএএইচ) পর্যন্ত ক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংক বহনের অনুমতি দেয়। শর্ট সার্কিট এড়াতে চাবি বা মুদ্রার মতো ধাতব বস্তুর সঙ্গে এটি রাখা যাবে না। বিমানে থাকা অবস্থায় পাওয়ার ব্যাংক গরম হয়ে গেলে বা ধোঁয়া দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত কেবিন ক্রুকে জানাতে হবে। এই নিয়মগুলো অমান্য করলে বড় অংকের জরিমানা এমনকি জেল পর্যন্ত হতে পারে।
এজেড




