স্বল্প সময়ে বিমান ভ্রমণে যাত্রীদের স্ন্যাকস দেয়া হয়। দীর্ঘ ভ্রমণে লাঞ্চ কিংবা ডিনার। ভ্রমণে খাবার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বিভিন্ন উড়ান পরিচালনাকারী সংস্থা যাত্রীদের জন্য ভালো খাবারের যোগান দেয়ার চেষ্টা করেন। যা তাদের সেবারই একটি অংশ।
ভারতের কিছু কিছু বিমানসংস্থা যাত্রীদের নিরামিষ খেতে দেন। যদিও সেসব উড়ানে আমিশের সংস্থানও থাকে। আবার মধ্যপ্রাচ্যের বিমানগুলো যাত্রীদের হালাল খাবার পরিবেশন করেন। কেননা, ওইসব বিমানে মুসলমান যাত্রীদের সংখ্যাই বেশি থাকে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের খ্যাতনামা উড়ান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কন্টিনেন্টাল ফুডও পরিবেশন করেন। মোট কথা হচ্ছে-যাত্রীরা ইচ্ছামাফিক তাদের মেন্যু পছন্দ করতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের যাত্রীদের বিমানে বিস্তৃত খাবার সরবরাহ করার চেষ্টা করে থাকেন। সব ধরনের স্বাদই পরখ করার সুযোগ দেন। যা সাধারণ মানুষের ডায়েটের মধ্যেই থাকে।
দীর্ঘ ভ্রমণে তিন থেকে চারটি মিল সরবরাহ করা হয়। ধরুন আপনি যদি খুব ভোরের কোনো ফ্লাইটে ওঠেন তবে আপনাকে প্রথমেই দেয়া হবে সকালের নাস্তা। বেলা বাড়লে হালকা স্ন্যাকস। দুপুরে মধ্যাহ্নভোজন। বিকালে আবার হালকা নাস্তা। রাত পর্যন্ত যদি ওড়েন তবে পেয়ে যাবেন রাতের খাবারও। এসব খাবার একদম ফ্রিতে মিলবে। বিমানের ভাড়া অর্থাৎ টিকিটের সঙ্গেই খাবারের দাম অন্তুর্ভূক্ত থাকে।
এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের খাবারের মেন্যুতে থাকে দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, মাংস, সবজি, কোমল পানীয়। এছাড়াও থাকে চা-কফি, বিস্কুট, চিপস ইত্যাদিও থাকে। ইউরোপ, আমেরিকার উড়ানে দেয়া হয় সসেজ, সালাদ, স্টেক, ভেজিটেবল ম্যাশ, পনির, কেক, মাফিন, অ্যালকোহল, কেক, মাফিন ইত্যাদি।
কোনো কোনো বিমান সংস্থা যাত্রীদের খাবার কিনে খাওয়ারও সুযোগ দেন। আপনার জন্য নির্ধারিত খাবারের বাইরে আপনি যদি অতিরিক্ত কিছু চান তবে সেটা কিনে খেতে পারেন। বিমানের খাবারের দাম কিছুটা বেশি।
বিজ্ঞাপন
বিমান ভ্রমণে সব যাত্রীর জন্য একই ধরনের খাবার দেয়া হয় না। যাত্রীদের ক্লাশ অনুযায়ী খাবার দেয়া হয়। ইকোনমি ক্লাশের খাবারের মেন্যু এক রকম। বিজনেস ক্লাশের খাবার আরেক রকম। বিজনেস ক্লাশে ফাইভ স্টার হোটেলের মতোই বিলাসী খাবার পরিবেশন করা হয়।
এজেড

