আপনি জানলে অবাক হবেন বিমানের জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ব্যবহৃত হয়। যা জেট ফুয়েল নামেও পরিচিত। বিমান ওড়ানোর এই জেট ফুয়েলকে এভিয়েশন কেরোসিন বলা হয়। এটি কিএইভি নামেও পরিচিত।
জেট ফুয়েল হলো দাহ্য এবং এটি পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত একটি পাতন তরল। এটি এভিয়েশন কেরোসিনের উপর ভিত্তি করে একটি জ্বালানি তৈরি করা হয় এবং এটি বাণিজ্যিক বিমান পরিবহনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটের সূত্র মতে, বিমানের জেট ফুয়েলের দুই ধরনের দাম নির্ধারিত আছে। স্থানীয় ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার ফুয়েলে দাম ১০১ টাকা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য দর ভিন্ন। যা কিছুটা কম।

বিমানের জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ব্যবহার করার কারণ
বিমান যখন আকাশে উঠে যায় সেখানকার বাইরের তাপমাত্রা থাকে অনেক কম। কেরোসিনের তরল হতে বরফ (ফ্রিজিং পয়েন্ট) হতে লাগে -৪০ ডিগ্রি থেকে -৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।
বিজ্ঞাপন
কেরোসিনের বদলে যদি গ্যাসোলিন ব্যবহার করা হত তাহলে বিমান উপরে উঠা মাত্র তা বরফ হয়ে যেত। কেরোসিনে এই সমস্যা নেই।
কেরোসিনের ফ্ল্যাশ পয়েন্ট (Flash Point) গ্যাসোলিনের চেয়ে অনেক বেশি। ফ্ল্যাশ পয়েন্ট (Flash Point) হল সেই তাপমাত্রা যে তাপমাত্রায় দাহ্য কোনো পদার্থ জ্বলে উঠে এবং বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। বিমানের আকাশে উড়া এবং দ্রুত গতি অর্জনের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাশ পয়েন্ট অনেক দরকার।

কেরোসিনে অকটেনের পরিমাণ বেশি, তাই গ্যাসোলিনের চেয়ে দ্রুত গতি অর্জনে করতে পারে।
কেরোসিন গ্যাসোলিনের চেয়ে অনেক বেশি পাতলা ও মসৃণ হয়ে থাকে।
কেরোসিন দামেও সস্তা গ্যাসোলিনের চেয়ে।
এসব কারণেই বিমানে জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ব্যবহৃত হয়।
এজেড

