৮ বছর আগে ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছিল টেক জায়ান্ট অ্যাপল। তখন জানা গিয়েছিল ওই গাড়ি হবে চালকবিহীন। এরপর ড্রাইভারলেস ই-কারের প্রোটোটাইপ তৈরি হয়। রাস্তায় চলে টেস্টিং। কিন্তু রাস্তায় নামতে না নামতেই একাধিক বাঁধার মুখে পড়ে। বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনায় অ্যাপলের অটোমেটিক গাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
অ্যাপল প্রজেক্ট টাইটান নামে মানুষ্যবিহীন ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরির প্রকল্প বাস্তবায়নে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত বছর এই জনপ্রিয় মার্কিন দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অ্যাপল সিইও টিম কুক জানিয়েছিলেন অ্যাপলের জন্য আদর্শ প্রোডাক্ট হয়ে উঠতে পারে চালকহীন গাড়ি।
বিজ্ঞাপন

কুক বলেন, ‘চালকহীন গাড়ি আসলে একটি রোবট, তাই এই প্রযুক্তিতে অনেক কিছু করার আছে। আমরা দেখব অ্যাপল কী করছে।’
সর্বপ্রথম ২০১৬ সালে প্রথম চালকহীন গাড়ি ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরির কথা প্রকাশ্যে এনেছিল এই মার্কিন টেক সংস্থাটি। তবে ২০২১ সালে চালকহীন গাড়ি তৈরি দলে কাটছাঁট শুরু করে কোম্পানিটি। প্রশ্ন উঠছে কবে আলোর মুখ দেখবে অ্যাপলের ই-কার?
তবে শুধু অ্যাপর নয়, প্রায় সব জনপ্রিয় গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা এই মুহূর্তে চালকহীন গাড়ি গাড়ি তৈরির প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্টে ব্যস্ত। গত বছর গুগলের সাহায্যপ্রাপ্ত কোম্পানি ওয়েমো সান ফ্রান্সিসকো শহরে রোবোট্যাক্সি পরিষেবা শুরু করেছিল।
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে চালকহীন গাড়ি ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরির প্রযুক্তিতে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে টেসলা। দীর্ঘ গবেষণায় দারুণ সাফল্য পেয়েছে এলন মাস্কের কোম্পানি। একাধিক গড়িতে ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে ইলন মাস্কের টেসলা। কোম্পানির বিভিন্ন গাড়িতে অটোপাইলট মোড গ্রাহকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
এজেড




