দীর্ঘক্ষণ মোটরসাইকেল চালালে পিঠে ব্যথা হবেই। বিশেষ করে স্পোর্টস ও রেসিং বাইকগুলোয় এই সমস্যা বেশি। বাজারে এমন কিছু বাইক রয়েছে যেগুলো এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে। জানুন এগুলোর মডেল সম্পর্কে।
রয়েল এনফিল্ড মেটিওর ৩৫০
বিজ্ঞাপন
বেশ রিল্যাক্স রাইডিং পজিশন রয়েছে এই বাইকের। মিলবে আপরাইট পজিশন রাইডিং স্টান্স এবং আরামদায়ক সাসপেনশন, যার ফলে বাইকটি একটানা চড়লেও পিঠে ব্যথা হবে না।

হিরো স্প্লেন্ডর
মাইলেজের দিক দিয়েও দারুণ মোটরবাইক হিরো স্প্লেন্ডর। এটির ওজন বেশ হালকা, সঙ্গে রয়েছে নরম সাসপেনশন এবং আরামদায়ক রাইডিং পজিশন। দীর্ঘ যাতায়াতের জন্য বহু মানুষের প্রথম পছন্দ হিরো স্প্লেন্ডর।
বিজ্ঞাপন
বাজাজ এভিঞ্জার ক্রুইজ ২২০
বাজাজের এই বাইকটির আরামদায়ক রাইডিংয়ের ক্ষেত্রে ভালো বিকল্প হতে পারে। চওড়া হ্যান্ডেলবার, রিল্যাক্স রাইডিং পজিশন এবং আরামদায়ক সিট রয়েছে মোটরসাইকেলে।
টিভিএস জুপিটার
টিভিএস মোটরের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া স্কুটার টিভিএস জুপিটার। এতে রয়েছে টেলিস্কপিক হাইড্রলিক 3 স্টেপ অ্যাডজাস্টেবেল স্প্রিং সাসপেনশন। স্কুটারের মাইলেজ রয়েছে ৫০ কিলোমিটার প্রতি লিটার।
হিরো প্লেজার প্লাস
হিরো প্লেজার প্লাসে রয়েছে ১১০ সিসি ইঞ্জিন। আরামদায়ক ইঞ্জিনের জন্য মিলবে স্প্রিং লোডেড হাইড্রলিক ডাম্পার সুইং আর্ম সাসপেনশন। এটি প্রতি লিটারে মাইলেজ দিতে পারে ৫০ কিলোমিটার।

কেটিএম ২৫০ এডিভি
অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল কেটিএম ২৫০ এডিভি। আপরাইট রাইডিং পজিশন আরামদায়ক সিট, হালকা ওজন এবং সফট সাসপেনশন সেটআপ থাকায় অনেকেই এটি একটি আরামদায়ক মোটরসাইকেল মনে করেন।
অভিজ্ঞ বাইকারদের মতে, আরামদায়ক বাইকের ক্ষেত্রে যে শর্তগুলো রাখা উচিত তা হল রাইডিং পজিশন যেন আপরাইট থাকে। রাইডিং স্টান্স রিল্যাক্সিং হলে তো খুবই ভালো। পাশাপাশি উপযুক্ত সাসপেনশন সেটআপ এবং তুলনামূলক কম হালকা ওজনের মোটরসাইকেল কেনা উচিত।
এজেড




