প্রতি বছর হাজার হাজার গাড়ি বিক্রি হয় বাংলাদেশে। যার মধ্যে সিংহভাগ চার চাকা এই ভারতীয় কোম্পানির।
বাংলাদেশে গাড়ি বাজারে একাধিক কোম্পানির উপস্থিতি রয়েছে যেমন হুন্দাই, নিশান, হোন্ডা ইত্যাদি। তবে এই সমস্ত কোম্পানিগুলোর থেকে অনেক বেশি গাড়ি বিক্রি একটি ভারতীয় চার চাকা প্রস্তুতকারক। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এই কোম্পানির আধিপত্য রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই কোম্পানির নাম টাটা মোটরস। ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে গাড়ি কেনা-বেচা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ টাটা মোটরসের।
ভারতের গণমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবথেকে বেশি গাড়ি বাজারে রয়েছে তাদেরই। নতুন গাড়ির সেগমেন্টে শীর্ষস্থানে রয়েছে টাটা মোটরস। ধারে কাছে নেই অন্য কোনো ভারতীয় কোম্পানি।

বাংলাদেশে টাটা মোটরসের অবাক করা কিছু তথ্য -
বিজ্ঞাপন
টাটা মোটরসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ গাড়ির বাজারে গত ৩ বছরে পঞ্চম স্থান থেকে ১ নম্বর স্থানে উঠে এসছে টাটা মোটরস।
বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংক্রিয় গাড়ির বাজার হওয়া সত্ত্বেও টাটা মোটরস বর্তমানে যানবাহন মার্কেট শেয়ার সেগমেন্টে প্রথম স্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশের ৩৬টি স্থানে উপস্থিতি রয়েছে এই কোম্পানির।
এই বিস্তৃত জায়গায় পরিষেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে হল অটোমোবাইলের চাহিদা মেটানো।
বাংলাদেশে বৈচিত্র্যময় গাড়ি বাজার রয়েছে, প্রিমিয়াম গাড়ি থেকে পিক-আপ ট্রাকও বিক্রি হয় এখানে
২০১৬ সালে টাটা মোটরসের কাছ থেকে ৫৬টি সুমো অ্যাম্বুলেন্স কেনে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এই সমস্ত গাড়ি ছিল উন্নত মোটর ডিজাইন এবং দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার দিকে অবদান উভয়ের মিশ্রণ।

বাংলাদেশে কেন এত জনপ্রিয় টাটা মোটরস?
বাংলাদেশে ঠিক কী কী কারণে তাদের গাড়ি বিক্রি বেশি নয় এই প্রশ্ন জাগতেই পারে। কোম্পানির মতে, ভালো মাইলেজের কারণে আমরা একটি পছন্দের ব্র্যান্ড। এ ছাড়া দেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক আমাদের বুঝতে সুবিধা করে দিয়েছে যে তাদের কী ধরনের যানবাহন পছন্দ হতে পারে।
আমরা এই সকল বিষয় মাথায় রেখে এমন গাড়ি তৈরি করি যা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের জন্য উপযোগী হবে। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া বাণিজ্যিক গাড়ির তিন ভাগের দু ভাগ টাটা মোটরসের তৈরি করা।
বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া টাটা মোটরসের গাড়িগুলি হল - টাটা নেক্সন, টাটা টিয়াগো, টাটা ইন্ডিগো, টাটা ম্যাজিক, টাটা ন্যানো ইত্যাদি।
এজেড




