images

স্পোর্টস / ফুটবল

একটি চামড়ার বল যেভাবে পুরো জাতির হৃদয় হয়ে ওঠে

স্পোর্টস ডেস্ক

২৭ মে ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

ফুটবল মেক্সিকোর কাছে শুধু একটা খেলা নয়। এটি তাদের জীবনের সুর, আবেগের নিঃশ্বাস এবং স্বপ্নের ভাষা। বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে তৃতীয়বার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে মেক্সিকো। ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের পর এবার ২০২৬-এ ফিরছে সেই উন্মাদনা।

১৯৭০ সালের গরম জুনে প্রথমবার বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছিল মেক্সিকো। সেই আসরে পেলের জাদুতে ব্রাজিল তৃতীয় শিরোপা জিতেছিল। আর এস্তাদিও অ্যাজটেকার মাঠে ফুটবলপ্রেমীরা প্রথমবার দেখেছিল কংক্রিটের স্টেডিয়াম কীভাবে জীবন্ত হয়ে উঠতে পারে। ঠিক ১৬ বছর পর ১৯৮৬ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত নিয়েও মেক্সিকানরা আবার বিশ্বকে আপ্যায়ন করেছিল। সেবার ম্যারাডোনা ‘হ্যান্ড অব গড’ আর সেই অবিস্মরণীয় গোল দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন।

এবারের বিশ্বকাপ হবে একেবারে নতুন মাত্রায়। ৪৮টি দল, ১৬টি গ্রুপ এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ নিয়ে বিশাল এই আয়োজন। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম, মনটেরির বিবিভিএ স্টেডিয়াম এবং গুয়াদালাহারার অ্যাক্রন স্টেডিয়াম। এই তিনটি মাঠে বসবে ফুটবলের মহোৎসব।

6a02176f631a5-WhatsApp-Image-2026-05-11-at-11_gmxdot_35_gmxdot_44-AM_gmxdot_jpeg

মেক্সিকান ফুটবল উন্মাদনা রাস্তা থেকে শুরু করে স্টেডিয়াম পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে। ধুলোমাখা মাঠে শিশুদের বল লাথানো থেকে শুরু করে গ্যালারির গর্জন, সবকিছুতেই ফুটবল যেন তাদের জীবনের অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই আবেগ বয়ে নিয়ে যায়। দাদুর গল্প থেকে নাতির স্বপ্ন, সবই জড়িয়ে আছে সবুজ মাঠের সঙ্গে। 

শুধু আয়োজন নয়, এই বিশ্বকাপ মেক্সিকোর জন্য রেখে যাবে বড় উত্তরাধিকার। স্টেডিয়ামগুলোর আধুনিকায়ন দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোকে অনেক এগিয়ে নেবে। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, ঘরের মাঠে বিশ্বসেরা তারকাদের খেলা দেখে লাখো তরুণ-শিশু নতুন স্বপ্ন দেখবে। একদিন তারাও হয়তো অ্যাজটেকার মাঠে সেই বিখ্যাত সবুজ জার্সি গায়ে চড়বে।