ঢাকা মেইল ডেস্ক
২৪ মে ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
শুরু হচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। আজ রোববার (২৪ মে) রাতেই মক্কা নগরীর অদূরে ‘তাঁবুর শহর’ খ্যাত মিনায় জড়ো হচ্ছেন হাজি সাহেবরা। এবার ১৫ লাখের বেশি মুসলিম হজে অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। হাজিদের সবাই মিনার তাঁবুতে অবস্থান নেবেন। এজন্য সেখানকার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামীকাল সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকে মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। তবে একসঙ্গে লাখ লাখ হাজি জড়ো হওয়ায় রোববার সন্ধ্যার পর থেকেই মিনা অভিমুখে রওয়ানা করবেন তারা। এ সময় তাদের মুখে মুখে উচ্চারিত হবে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি।
মিনায় গমন সহজ ও নিরাপদ করার জন্য সৌদি সরকারের নির্দেশনা মেনে আজ রাতেই মিনার উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন হাজিরা। বাংলাদেশের হজযাত্রীদের মিনায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে মক্কাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিস ও সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিসমূহ।
শরিয়তের বিধান অনুসারে, হাজিরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে ইশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন।

মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ মঙ্গলবার (২৬ মে) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।
খুতবার পর হাজিরা একসাথে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন তারা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।
৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন হাজিরা। সেখানে মাগরিব ও ইশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন।
পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজিরা এবং শুধু বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দেবেন এবং মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোট করবেন।

১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।
এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫ লাখের বেশি মুসলমান হজ পালন করবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করছেন।
জেবি