জেলা প্রতিনিধি
২৪ মে ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) ভোররাত ৪টার দিকে শুরু হওয়া এ যানজট সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী, পরিবহন চালক ও পণ্যবাহী যানবাহনের শ্রমিকরা।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ধীরগতিতে যান চলাচল করছে। এর প্রভাব পড়েছে গজারিয়া অংশেও।

জানা যায়, মহাসড়কের কুমিল্লামুখী লেনে গজারিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন আটকে থাকে। বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাক, দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারিতে মহাসড়কের কয়েকটি অংশ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনের মধ্যে আটকে থাকতে দেখা যায়।
আজ ভোর থেকে শুরু হওয়া যানজট সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হয়। এতে অফিসগামী মানুষ, দূরপাল্লার যাত্রী এবং রোগীবাহী যানবাহনও দুর্ভোগে পড়ে। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকায় অনেককে গাড়ি থেকে নেমে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
চট্টগ্রামগামী ট্রাকচালক শামিম মিয়া বলেন, জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে আছি। পরে শুনলাম দাউদকান্দি এলাকায় সড়কে সমস্যা হয়েছে। তাই যান চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছে না।
বাসচালক সহিদ বলেন, বালুয়াকান্দি এলাকা থেকে জ্যামে পড়েছি। কখন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো বুঝতে পারছি না।

এক বাসযাত্রী বলেন, এই মহাসড়কে প্রায়ই যানজট হয়। নির্ধারিত সময়ে কোথাও পৌঁছানো যায় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে বসে থাকতে হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যানজটের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। এতে যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যেও চরম অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গজারিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, দাউদকান্দি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার কারণে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। আশা করছি, দুপুরের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
প্রতিনিধি/টিবি